Saturday, April 30, 2016

বিএনপির কৌশলগত পরাজয়

বাড়িতে দুই ভাই বোন বা সহোদর দিনে কারনে অকারণে অনেকবার মারামারি করে আর স্বাভাবিক ভাবে একজনই জিতে যায় , পরাজিত জনের শেষ ভরসা আম্মা । মা ও আমাকে মারছে তুমি কিছু বল । মায়ের সান্ত্বনা তো থাকেই যাক এই সস্তা গল্প লেখা আমার উদ্দেশ্য না ।
জাতীয় নির্বাচন একটি প্রস্নবিদ্ধ নির্বাচন এটা সবাই জানে । যারা জয়ী তারাও জানেন বিষয়টা। কিন্তু এর পরের ঘটনা উপজেলা নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন শেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কোনটাতেই বিএনপি সুবিধা করতে পারছে না, প্রতিটা নির্বাচনের পরে মিডিয়ার সামনে একই অভিযোগ, এই যেন এক অসহায় আত্মসমর্পণ । যতটা না তারা অভিযোগ করতে অভ্যস্ত টার চেয়ে বেশী অলস কৌশলী হতে । আওয়ামীলীগ এর সাথে বিএনপির তফাৎ এখানেই। উপজেলা নির্বাচন ও পৌরসভা নির্বাচন এর ফলাফলের দিকে খেয়াল রেখে ব্যাপক আকারে কৌশলী হওয়া উচিত ছিল, বিএনপি তা করেছে এমন টা চোখে পড়ে নি । আওয়ামীলীগ এর কৌশলগত দিক গুলি চোখে পড়ার মত । মাঠের রাজনীতিতে বরাবরই সফল, কিন্তু বেশী সময় ক্ষমতায় থাকা একটি দল এমন একটি শোচনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাবে এটাও আক্ষেপের ।
সহজ একটি উক্তি আওয়ামীলীগ ভোট চুরি করেছে , ভালো কথা তো আপনারা পারছেন না কেন ? সেই জায়াগায় পৌছাতে না পারাটা আপনাদের বার্থতা। আপনারাও এক সময় ক্ষমতায় ছিলেন , কি করে রেখে গেছনে ? যে আজকে দাঁড়াতেও পারছেন না , ভুল টা কার ? আপনারাও একদিন পারবেন শুধু নিজেরা ভুল গুলি বের করে তা সংশোধন করেন ।
একক দৃষ্টিকোন/ সমর্থন থেকে আমার ওপরের কথা গুলি বিচার করলে, এই লেখা আপনার জন্য না।

বায়োমেট্রিকে বিরোধিতা অন্তঃসারশূন্যটা

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিঃ যারা করে নাই তারা এক ধরণের ধৃষ্টতা দেখিয়েছে । বিষয়টা প্রশ্নবিদ্ধ কিনা আমি সে বিতর্কে যাচ্ছি না । আপনি যখন কোন একটি সম্প্রদায়, এলাকায় বা রাষ্ট্রে বসবাস করবেন আপনাকে এই সমাজের নিয়ম কানুন বা নির্দেশের প্রতি স্রধাশীল থাকতে হবে, অবশ্যই আমি আপনাকে অন্যায়ের পক্ষে শ্রদ্ধাশীল থাকতে বলছি না । আপনি প্রতিবাদ করবেন এটাই স্বাভাবিক । বায়োমেট্রিকে আমার আগুলের ছাপ কে নিচ্ছে ? কার নির্দেশে নিচ্ছে ? এটা আপনাকে আগে দেখতে হবে । এখানে যখন প্রথম পক্ষ সরকার সে ক্ষেত্রে আমি ভয়ের কিছু দেখি না । এর দায়ভার সরকারের । আমার আগুলের ছাপ নিয়ে তারা কিছু করলে বিষয়টা সরকার আর তাদের ব্যাপার । ইতো মধ্যে দেশের হাইকোর্ট বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিঃ এর পক্ষে মত দিয়েছে ।
আজ পর্যন্ত যারা রেজিঃ করেন নাই, আমি মনে করি তাদের ভিন্ন কোন উদ্দেশ্য আছে , এদের সিম কার্ড গুলি বন্ধ করে দেয়া উচিত। অনেকে বিভিন্ন দেশের সাথে তুলনা করছে তারা করে না আমরা করবো কেন ? আমাদের কি দরকার এভাবেই তো ভালো চলছে । আমি একটু ছোট করে যদি বলি তাহলে আমাদের মত তারা এই রকম আবাল না । ওই সব দেশের নাগরিকগণ প্রতিটা আইন কানুন নিয়ম নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে । কেউ দেখুক আর না দেখুক, পাহারাদার থাকুক আর না থাকুক তারা অন্যায় কম করে, সেই বিবেচনা বোধ তাদের অনেক বেশীএ,আর আমরা কি করি ঠিক এই জায়গাতে? । আমাদের একেকজনের অবস্থা কি তা নিজ জায়গা থেকে একটু বিচার করলেই বুঝতে পারি। আমরা প্রতিটা জিনিসের অপবাবহারে এক ধরণের প্রতিযোগিতায় নেমে যাই । যে ফেচবুকে এখন লিখছি এই ফেচবুকের অপবাবহার পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে আমরাই ওপরে । আর মোবাইল ফোনের সিম কার্ডের বিষয়টা আর নাই বা বললাম । আমরা আইন আর নিয়ম ভাঙ্গার প্রতিযোগিতা করি ।
কিছুদিন আগের একটি ছোট ঘটনা দিয়ে শেষ করি , নতুন বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে রিক্সা চলার জন্য ট্র্যাফিক পুলিশ প্লাস্টিকের ডিভাইডার দড়ি দিয়ে বেধে আলাদা লেন তৈরি করেছে । যেন রিস্কা গুলি ভালো ভাবে চলতে পারে । পত্রিকায় এর সুবিধা নিয়ে একটা রিপোর্ট ও বের হয়েছিল । যাহোক তো ঐদিন দাঁড়ায় ছিলাম , একজন ইচ্ছা করে দড়ি ছিঁড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে লেনে ঢুকে গেলেন , ট্র্যাফিক পুলিশ ডাকলেও ফিরে তাকায়নি, ঠিক অল্প কয়েক সেকেন্ড পরেই ওই একেকই জায়গা দিয়ে আরেক জন ঢুকলেন তাঁকে যখন বলা হল আপনি কেন ঢুকলেন ?
জনাবের জবাব, একটু আগে যে গেল তারে কিছু বললেন না ? আগে তার বিচার করেন পরে আমারে দেখতে আইসেন ।