বর্তমানে সৃজনশীল পরীক্ষা খুব এই ভালো উদ্যোগ , আর এই সৃজনশীলতা কতটুকু কার্যকর তা নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান । ছেলে মেয়েরা তাদের যে দক্ষতা তা বের করে আনতে পারছেনা আর পারবেই বা কিভাবে ,এর জন্য প্রয়োজন হয় পরিবেশ , দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলী , যথাযত সুযোগ এবং সর্বোপরি সকলের প্রচেষ্টা ।
২০১৩ শিক্ষা বর্ষ থেকে ৮ শ্রেণী ছাড়া সকল শ্রেণিতেই সকল বিষয় সৃজনশীল পরীক্ষা পধতি প্রবর্তিত হয়েছে । এর উদ্দেশ্য আমার কাছে ভালই মনে হয় কিন্তু সমস্যা হল অন্য জাগায় , দেখেন তাহলে একজন ছাত্রের ২৪ ঘণ্টা , সে কিভাবে অতিবাহিত করছে, আমি সকাল থেকেই শুরু করছি
সকাল ৫:৩০ : ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে পড়তে বসা। কিছু সময় পড়ে প্রাইভেট এর উদ্দেশে বের হওয়া ৬:৩০ মিনিট মিনিট থেকে ৭:৩০ (বিষয়; পদার্থ , রসায়ন ও জীব বিজ্ঞান )
সকাল ৮ টা: বাসায় এসে গোছল ,নাস্তা ও স্কুল এর উদ্দেশে বের হওয়া ১০ থেকে ৪ টা পর্যন্ত স্কুল শেষ করে ,৪:৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত কোচিং এ সাধারণ বিষয় গুলি পড়া ।
সন্ধ্যা ৭ টা : বাসায় ইংলিশ স্যার ৭- ৮ টা পর্যন্ত
রাত ৮:৩০ মিনিট : বাসায় স্যার ৮:৩০-৯:৩০ সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত।
রাত ১০ টা : রাতের খাবার খেয়ে সারাদিন যে সকল পড়া দেওয়া হয়েছে সেগুলি মুখস্ত করা বা পরের দিনের পড়া তৈরি করে ঘুমাতে যাওয়া । এখানে যদি সে সব মিলিয়ে ২ ঘণ্টা সময় ও নেয় তা হলে সে ঘুমানোর সময় পাবে রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সে সময় পায় ৫ ঘণ্টা , আর এটাই হল ২৪ ঘণ্টা মধ্যে তার নিজের একান্ত সময়।
পুরো সপ্তাহ ঠিক এভাবেই কাটে আমাদের সাধারণ ছেলে মেয়েদের । একদিন শুক্রবার সেদিন ও ছুটি নাই , সারা সপ্তাহ যা পড়ানো হয়েছে তার সাপ্তাহিক পরীক্ষা ।
আমি একজন এর কাছে জানতে চেয়েছিলাম এতো স্যার বা কোচিং এর কি দরকার , তার জবাব টা ছিল এই রকম
" ভালো রেজাল্ট না করতে পারলে ভালো জাগায় পড়তে পারব না , স্কুল এ যাই ঠিক মত ক্লাস হয় না, স্যাররা ভালো ভাবে বুঝান না । তাই কি করবো এছাড়া আর কোন উপায় নাই । আর এক স্যার এর কাছে তো সব বিষয় পড়া ও হয় না তাই "
এবার দেখেন
এই যে ছেলে বা মেয়ে সারাটা তিন যন্ত্রের মত এখানে ওখানে ঘুরছে বাসায় একের পরে এক জন স্যার আসতেছেন, সারাদিন এ তার কোন অবসর নাই । মানসিক বিকাশের জন্য তার যে পরিবেশ বা পরিস্থিতি প্রয়োজন কতটুকুই বা সে পাচ্ছে ? সে খেলতে পারছেনা , নিজের অভিজ্ঞতা কারো সাথে ভাগাভাগি করতে পারছেনা , তার নিজের জন্য কোন সময় পাচ্ছে না । আপনে একজন অভিভাবক হিসাবে বলেন আপনার সন্তান কতটুকু সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে করতে বা তুলে ধরতে পারছে ? চলমান পরিস্থিতির সাথে সে কতটুকু পরিচিত ?
এর কিছুই তারা জানেন না । এটাই আমাদের বর্তমান অবস্থা । আমার মনে হয় এ অবস্থা আমাদের যে সকল মেধাবী ছাত্র- ছাত্রী রয়েছে তাদের মেধা কে ধ্বংস করে দিচ্ছে । এখনও সময় আছে এ সকল সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার , তা না হলে হয়ত আগামীতে আমরা অনেক জিপিএ পাওয়া ছাত্র- ছাত্রী পাব , কিন্তু তারা রাষ্ট্র বা সমাজ পরিবর্তনে কতটুকু অবদান রাখবে তা সময়ই বলে দিবে ।
২০১৩ শিক্ষা বর্ষ থেকে ৮ শ্রেণী ছাড়া সকল শ্রেণিতেই সকল বিষয় সৃজনশীল পরীক্ষা পধতি প্রবর্তিত হয়েছে । এর উদ্দেশ্য আমার কাছে ভালই মনে হয় কিন্তু সমস্যা হল অন্য জাগায় , দেখেন তাহলে একজন ছাত্রের ২৪ ঘণ্টা , সে কিভাবে অতিবাহিত করছে, আমি সকাল থেকেই শুরু করছি
সকাল ৫:৩০ : ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে পড়তে বসা। কিছু সময় পড়ে প্রাইভেট এর উদ্দেশে বের হওয়া ৬:৩০ মিনিট মিনিট থেকে ৭:৩০ (বিষয়; পদার্থ , রসায়ন ও জীব বিজ্ঞান )
সকাল ৮ টা: বাসায় এসে গোছল ,নাস্তা ও স্কুল এর উদ্দেশে বের হওয়া ১০ থেকে ৪ টা পর্যন্ত স্কুল শেষ করে ,৪:৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত কোচিং এ সাধারণ বিষয় গুলি পড়া ।
সন্ধ্যা ৭ টা : বাসায় ইংলিশ স্যার ৭- ৮ টা পর্যন্ত
রাত ৮:৩০ মিনিট : বাসায় স্যার ৮:৩০-৯:৩০ সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত।
রাত ১০ টা : রাতের খাবার খেয়ে সারাদিন যে সকল পড়া দেওয়া হয়েছে সেগুলি মুখস্ত করা বা পরের দিনের পড়া তৈরি করে ঘুমাতে যাওয়া । এখানে যদি সে সব মিলিয়ে ২ ঘণ্টা সময় ও নেয় তা হলে সে ঘুমানোর সময় পাবে রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সে সময় পায় ৫ ঘণ্টা , আর এটাই হল ২৪ ঘণ্টা মধ্যে তার নিজের একান্ত সময়।
পুরো সপ্তাহ ঠিক এভাবেই কাটে আমাদের সাধারণ ছেলে মেয়েদের । একদিন শুক্রবার সেদিন ও ছুটি নাই , সারা সপ্তাহ যা পড়ানো হয়েছে তার সাপ্তাহিক পরীক্ষা ।
আমি একজন এর কাছে জানতে চেয়েছিলাম এতো স্যার বা কোচিং এর কি দরকার , তার জবাব টা ছিল এই রকম
" ভালো রেজাল্ট না করতে পারলে ভালো জাগায় পড়তে পারব না , স্কুল এ যাই ঠিক মত ক্লাস হয় না, স্যাররা ভালো ভাবে বুঝান না । তাই কি করবো এছাড়া আর কোন উপায় নাই । আর এক স্যার এর কাছে তো সব বিষয় পড়া ও হয় না তাই "
এবার দেখেন
এই যে ছেলে বা মেয়ে সারাটা তিন যন্ত্রের মত এখানে ওখানে ঘুরছে বাসায় একের পরে এক জন স্যার আসতেছেন, সারাদিন এ তার কোন অবসর নাই । মানসিক বিকাশের জন্য তার যে পরিবেশ বা পরিস্থিতি প্রয়োজন কতটুকুই বা সে পাচ্ছে ? সে খেলতে পারছেনা , নিজের অভিজ্ঞতা কারো সাথে ভাগাভাগি করতে পারছেনা , তার নিজের জন্য কোন সময় পাচ্ছে না । আপনে একজন অভিভাবক হিসাবে বলেন আপনার সন্তান কতটুকু সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে করতে বা তুলে ধরতে পারছে ? চলমান পরিস্থিতির সাথে সে কতটুকু পরিচিত ?
এর কিছুই তারা জানেন না । এটাই আমাদের বর্তমান অবস্থা । আমার মনে হয় এ অবস্থা আমাদের যে সকল মেধাবী ছাত্র- ছাত্রী রয়েছে তাদের মেধা কে ধ্বংস করে দিচ্ছে । এখনও সময় আছে এ সকল সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার , তা না হলে হয়ত আগামীতে আমরা অনেক জিপিএ পাওয়া ছাত্র- ছাত্রী পাব , কিন্তু তারা রাষ্ট্র বা সমাজ পরিবর্তনে কতটুকু অবদান রাখবে তা সময়ই বলে দিবে ।
No comments:
Post a Comment